গত ০১/০৭/২০২৬ তারিখে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা আবেদনকারীদের ডিবিটি লিংকের মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্টে পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে অন্য চিত্র ,একাধিক আবেদনকারীর টাকা ব্যাংক একাউন্টে ঢোকেনি, অনেকে আবেদনের স্ট্যাটাস অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখে তাদের আবেদনটি বাতিল হয়েছে। এরপরই অনেকের মনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে যে কেন তাদের আবেদনটি বাতিল করা হলো। অন্নপূর্ণা ভান্ডার যোজনায় আবেদন করা মহিলাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রেজিস্ট্রেশন শুরু করেছেন আধিকারিকরা প্রকৃত উপক্তাদের চিহ্নিত করতে। সকল ১০ই জুলাই এর মধ্যে অফলাইন কম আপলোড ও আধার সংক্রান্ত সমস্যা মেটানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যে আলোচনা কেন্দ্রবিন্দু ছিল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের এই আবেদন বাতিল হওয়া নিয়ে জানি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় তুলেছিল অনেকেই আবার অনেকেই পথে নেবে সমালোচনা করেছেন। তবে অনেক আবেদনকারীদের প্রথমে আবেদনটি বাতিল বলে দেখালেও ৪ তারিখের পর আবেদনটি স্ট্যাটাস আবার পরিবর্তন হয়ে আন্ডার এনকোয়ারি দেখাচ্ছে এখন। এই স্ট্যাটাস পরিবর্তনের বিষয়টি দেখে অনেক আবেদনকারীর মধ্যে আবার টাকা পাওয়ার আশা সঞ্চার হয়েছে, যা নিয়ে এখন সর্বত্রই আলোচনা চলছে। বাতিল আবেদনপত্র কে যাচাই করার সরকারি নির্দেশিকা ছিল অনেকেই জানাচ্ছেন বাতিল হওয়া আবেদন পত্র কি খতিয়ে দেখতে বাড়ি বাড়ি তথ্য যাচাইয়ের কাজ করবেন সরকারি আধিকারিকরা ,তবে সম্পূর্ণ বিষয়টি নিয়ে এখনো সমস্যার মধ্যে রয়েছেন অনেকেই। ৪ টা জুলাই সন্ধ্যার পর অন্নপূর্ণা ভান্ডার এর পোর্টালে রিজেক্টের থেকে আন্ডার এনকোয়ারি দেখানোর বিষয়টি নিয়ে অনেকের মধ্যে খুশির হাওয়া। সরকার যে তাদের আবেদনটি একেবারে বাতিল করে দেয়নি এই বিষয়ে অনেকে খুশি। আধিকারিকদের মতে অনেক তথ্য অমিল থাকার কারণেই অনেকের আবেদনটি প্রাথমিক পর্যায়ে বাতিল হলেও পরবর্তী সময়ে পুনরায় মূল্যায়ন করে আবেদনটিকে এপ্রুভ করা হবে যাতে কোন যোগ্য উপভোক্তা এই প্রকল্পের অধীন থেকে বঞ্চিত না হয়। Post navigation অন্নপূর্ণা থেকে বাদ, কি কারনে বাদ, কারা বাদ যাচ্ছেন, কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী