পাণ্ডুয়া থানার পুলিশ কচ্ছপ উদ্ধার করছে বনদপ্তরের হাতে কচ্ছপ তুলে দেওয়া হচ্ছে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়েছে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ

বনদপ্তরের হাতে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ তুলে দিলেন পান্ডুয়া পুলিশ, এলাকাবাসী গড়লেন সচেতনতার নজির।

পাণ্ডুয়া থানার পুলিশ কচ্ছপ উদ্ধার করছে
বনদপ্তরের হাতে কচ্ছপ তুলে দেওয়া হচ্ছে
গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়েছে
বিরল প্রজাতির কচ্ছপ


একটি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার কে ঘিরে পরিবেশ সচেতনতা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল সাক্ষী রইলেন হুগলি জেলার পান্ডুয়া ব্লকের তিন্না ইলামপুর এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর তৎপরতা এবং পান্ডুয়া থানার পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে নিরাপদ ভাবে বন দপ্তরের হাতে কচ্ছপকে তুলে দেয়া সম্ভব হয়েছে।

পাণ্ডুয়া থানার পুলিশ কচ্ছপ উদ্ধার করছে
বনদপ্তরের হাতে কচ্ছপ তুলে দেওয়া হচ্ছে
গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়েছে
বিরল প্রজাতির কচ্ছপ


এই ঘটনায় এলাকা জুড়ে এলাকাবাসী ও পান্ডুয়া থানার প্রতি প্রশংসার সুর শোনা যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, তিন্না ইলামপুর এলাকায় কয়েক জন চাষী জমিতে কাজ করার সময় একটি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ দেখতে পান কয়েক জন চাষী খবর জানা জানি হতেই এলাকাবাসী ভিড় জমায় , গ্রামবাসী কচ্ছপটিকে বিরক্ত না করে সঙ্গে সঙ্গে পান্ডুয়া থানায় খবর দেন, খবর পেয়ে পান্ডুয়া থানার এএসআই সুরজিৎ কুন্ডু ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপদ হবে কচ্ছপটিকে উদ্ধার করে পান্ডুয়া থানায় নিয়ে আসেন। পান্ডুয়া থানার পক্ষ থেকে বনদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বন দপ্তরের পান্ডুয়া থানায় পৌঁছালে অনেকভাবে পান্ডুয়া থানার এসআই সুরজিত কুন্ডুর তাদের হাতে কচ্ছপ টি তুলে দেন।
বর্তমানে কচ্ছপ সহ একাধিক বন্যপ্রাণী বিলুপ্তির পথে তাই এই বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী যদি কখনো জনসমক্ষে বেরিয়ে আসে তাহলে কোন ক্ষতি না করে বা নিজের কাছে না রেখে বন দপ্তরের বা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া আমাদের সকল নাগরিকের দায়িত্ব। এই দায়িত্ব আজ তিন্না ইলামপুরের পালন করে সমাজের ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছেন। কি কেবলমাত্র লুপ্তপ্রায় প্রাণীকে রক্ষা করার উদাহরণ নয় বরং মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে সহবাস্থানের গুরুত্বকে প্রাধান্য দেয়। পরিবেশ রক্ষা ও জীব বৈচিত্রের সংরক্ষণ শুধু প্রশাসনের নয় সাধারণ মানুষের ও, সাধারণ মানুষের এই দায়িত্ব পারে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ পরিবেশ গড়তে।

By Mr_X

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *